ঢাকা, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারিয়ে সেমি ফাইনালে বাংলাদেশ

ব্যাট হাতে শুরুটা ছিল হতাশার, শেষটায় লড়াইয়ের পুঁজি। এরপর বল হাতে একের পর এক আঘাত। ব্যাটিং-বোলিংয়ের সম্মিলিত দাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ৩৪ রানে হারিয়ে নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালের টিকিট কেটে নিয়েছে বাংলাদেশ।দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। প্রথম ওভারেই ফেরেন দিলারা আক্তার।


এরপর সোবহানা মোস্তারীও দ্রুত বিদায় নিলে পাওয়ারপ্লেতে ২ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের রান ছিল মাত্র ২১। সেখান থেকে জুয়াইরিয়া ফেরদৌস ১৬ ও অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ২৩ রান করে ইনিংসটা সামলানোর চেষ্টা করেন।তবে ৫২ রানে চতুর্থ উইকেট হারানোর পর পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে যায়। মাত্র দুই বলের ব্যবধানে স্বর্ণা আক্তার ও ফাহিমা খাতুন গোল্ডেন ডাক নিয়ে ফিরলে ৫৫ রানেই বাংলাদেশের ৬ উইকেট পড়ে যায়।


সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে দলকে টেনে তোলেন শারমিন আক্তার। শেষ দিকে নাহিদা আক্তারকে সঙ্গে নিয়ে পাল্টা লড়াই শুরু করেন তিনি। ৩১ বলে ৩৮ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসে তিনটি চার মেরে বাংলাদেশকে নিয়ে যান তিন অঙ্কের ঘরে। নাহিদার ২৬ বলে ১৬ রানের সঙ্গে শারমিনের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১০৩ রান পায় বাংলাদেশ। আমিরাতের হয়ে সুরক্ষা কোট্টে নেন ৩ উইকেট।


১০৪ রানের লক্ষ্যটা অবশ্য আমিরাতের জন্য শুরু থেকেই কঠিন করে দেন বাংলাদেশের বোলাররা। মারুফা আক্তারের আঘাতে শুরুতেই চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। রাবেয়া খান একাই নেন ৩ উইকেট, মারুফা ও নাহিদা শিকার করেন ২টি করে। সুলতানা খাতুন ও ফাহিমা খাতুন নেন একটি করে। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ৬৯ রানেই থামে আমিরাতের ইনিংস। বাংলাদেশের জয় আসে ৩৪ রানে।


ব্যাট হাতে যখন মনে হচ্ছিল বাংলাদেশ বড় বিপদে, তখন শারমিনের ছোট্ট ঝড় পথ দেখিয়েছে। এরপর বোলাররা সেই পথেই এনে দিয়েছেন জয়। ফলে গ্রুপ পর্বের বাধা পেরিয়ে এখন টাইগ্রেসদের সামনে আরও বড় পরীক্ষা, সেমিফাইনালে অপেক্ষা করছে ভারত।


আগামী ১০ সেপ্টেম্বর ভারতের বিপক্ষে সেমিফাইনালে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। অন্য সেমিফাইনালে ১১ সেপ্টেম্বর মুখোমুখি হবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। ১৩ সেপ্টেম্বর হবে ফাইনাল।


ads
ads
ads

Our Facebook Page