ঢাকা, সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬

বাড়লো যানবাহনে ব্যবহৃত গ্যাসের দামও, রাত ৮টা থেকে কার্যকর

ভোক্তাপর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) পাশাপাশি যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নভেম্বর মাসের জন্য অটোগ্যাসের নতুন দাম প্রতি লিটার ৯১ টাকা ৯৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত মাসে এই দাম ছিল ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা।  নতুন দাম সোমবার (২ নভেম্বর) রাত ৮টা থেকে কার্যকর হবে।সোমবার রাতে বিইআরসির এক বিজ্ঞপ্তিতে নভেম্বর মাসের জন্য এলপিজি ও অটোগ্যাসের নতুন দাম ঘোষণা করা হয়।


বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বেসরকারি খাতের ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত মাসে এই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। অর্থাৎ ১২ কেজির সিলিন্ডারে দাম বেড়েছে ২২৩ টাকা।


বিইআরসি নির্ধারিত নতুন দাম অনুযায়ী, বেসরকারি এলপিজির প্রতি কেজির দাম ১৭১ টাকা ৬৮ পয়সা। সে হিসাবে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬০ টাকা।কমিশন জানিয়েছে, সৌদি আরামকোর ঘোষিত প্রোপেন ও বিউটেনের চুক্তিমূল্য (সৌদি সিপি) বাড়ায় নভেম্বর মাসের জন্য এলপিজির দাম সমন্বয় করা হয়েছে। সৌদি সিপি বৃদ্ধির কারণে গত মাসের তুলনায় ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম মূসকসহ প্রায় ৭৪ টাকা বেড়েছে।


নভেম্বর মাসের জন্য সৌদি আরামকো প্রতি টন প্রোপেনের দাম ৭২০ ডলার এবং বিউটেনের দাম ৭৮০ ডলার নির্ধারণ করেছে। প্রোপেন ও বিউটেনের মিশ্রণ অনুপাত ৩৫:৬৫ বিবেচনায় গড় সৌদি সিপি দাঁড়িয়েছে প্রতি টন ৭৫৯ ডলার।


এর সঙ্গে এলপিজি আমদানির জাহাজভাড়া ও ট্রেডারের প্রিমিয়াম প্রতি টন ২৫০ ডলার এবং ডলারের বিনিময় মূল্য ১২৩ টাকা ৪৬ পয়সা বিবেচনায় নিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে কমিশন।


এদিকে সরকারি এলপিজির দামও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এলপি গ্যাস পিএলসি সরবরাহ করা ১২ দশমিক ৫০ কেজির সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৮৬০ টাকা।


এ ছাড়া রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে সরবরাহ করা বেসরকারি এলপিজির তরল অবস্থায় প্রতি কেজির দাম মূসকসহ ১৬৫ টাকা ৮৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্যাসীয় অবস্থায় প্রতি লিটারের দাম ৩৬ পয়সা ৮৫ পয়সা এবং প্রতি ঘনমিটারের দাম ৩৬৮ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করেছে বিইআরসি।


অটোগ্যাসের ব্যবহার


অটোগ্যাস মূলত যানবাহন যেমন- ট্যাক্সি, প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, বাস এবং ডেলিভারি ভ্যানের ইন্টারনাল কম্বাসন ইঞ্জিন বা অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিনে এটি পেট্রোল বা ডিজেলের বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া যানবাহন ছাড়াও স্থির বা স্টেশনারি কাজে যেমন—বিদ্যুৎ উৎপাদনের জেনারেটরে জ্বালানি হিসেবে অটোগ্যাস ব্যবহার করা হয়।

ads
ads
ads

Our Facebook Page

↑